Skip to main content

কিছু অজানা তথ্য ইতালি কে নিয়ে।The unknown facts about Italy।

ইতালি দেশ নিজের সৌন্দর্য জন্য  সারা বিশ্বে বিখ্যাত। আজকাল অনেক মুভি ও গানের সুটিং এই দেশে হতে থাকে।ইতালি ইউরোপের সবচেয়ে ঘন  জনবসতি পূর্ণ দেশ।

ইউরোপের  মধ্যে সবচাইতে  বেশি ভূমিকম্প এইখানে হয় ।
এবং এই দেশে সবচয়ে বেশি জাওয়ালামুখি ও রয়েছে। এমনি তেই তো আমরা সবাই জানি ইতালি খুব সুন্দর একটি শহর কিন্ত সাল ১৮৬১ থেকে ১৯৮৫ পর্যন্ত ২৬ মিলিয়ন লোক ইতালি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। ইতালি গ্রিস এর পর দ্বিতীয় সবথেকে বড় রাষ্ট্র। আধুনিক ইতালি ১৮৬১ সালেই কিন্তু একটি রাষ্ট্র হিসাবে স্থাপিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্ত ২য় বিশ্বযুদ্ধ পর ১০ জুন ১৯৪৬ সালে ইতালি এক লক্তন্ত্রিক দেশ হয়। আর্থিক ব্যাবস্থা দিক দিয়ে দেখতে গেলে এটি সারা বিশ্বে ৮ ম স্তান অধিকার করেছে। এখনকার লোকেদের জীবন যাপন খুব সুন্দর এবং এটি ভারত এর মত প্ৰয়দিপ। প্রয়দিপ তাকে বলা হয় থাকে যাকে যার তিন দিক জল সমুদ্র এমন কি যেমন ভারত এর উত্তর দিকে হিমালয় পর্বত রয়েছে সেইরকম ইতালির উত্তর ভাগে ও আলপস পর্বত রয়েছে। তো বন্ধুরা আজকে আমরা জানবো ইতালি নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ইউরোপ মহাদেশে এর পশ্চিমে অবস্থিত একটি ছোট্ট দেশ। আধিকারিক রূপে একে ইতালিয়ান রিপাবলিক নামে পরিচিত এই দেশটি যার রাজধানী নাম রোম।

ভ্যাটিকান সিটি ও সেন্ড মেরিনো ইতালি মধ্যে অবস্থিত দুটি সতন্ত্র দেশ। ইতালির রাজধানী রোম প্রাচীন কাল থেকেই এক শক্তি ও প্রভাবে সম্পূর্ণ রোম সাম্রাজ্যের রাজধানী হোয়ে আসছে। ইতালির অর্থব্যবস্থা ইউরোপের সবচেয়ে তৃতীয় বড়ো অর্থব্যবস্থা। ইতালি লোকেদের প্রধান জীবিকা ও ব্যাবসা হলো কৃষি। বিশ্বের সাত সুন্দর ও অদ্ভুত জিনিস এর মধ্যে আখানে একটি জিনিস আছে যেটি নাম হলো কৌলিসিয়াম ।

এখানে আগে একটি সার্কাস হতো যেটি ছিল কুমির এর খেলা বিখ্যাত। এখারকার রাজা যাদের মৃত্যু দণ্ড দিত তাদের এই সব হিংস্র প্রাণীদের সামনে দিয়ে দেওয়া হতো এবং এখানে সব দর্শক এর সামনে। এখানে ৫০০০০ এর ও বেশী দর্শক এর বসার ব্যাবস্থা রয়েছে এই কৌলাসিয়াম এ। এই কৌলুসিয়াম কে স্টেডিয়াম হিসাবেও ব্যাবহার করা হতো কোনো অনুষ্ঠান বা অন্যান্য করো জরুরি কোনো কাজেও। বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা সুরঙ্গ এইখানে অবস্থিত এই সুরঙ্গ টি ইতালি থেকে সুজেরলান্ড অব্দি গিয়েছে এটি একটি রেলপথ যার দৈঘ্য ৫৭ কিলোমিটার লম্বা। এটি আল্পস পর্বত এর নিচের মধ্য দিয়ে গিয়েছে এবং এটিকে বানাতে প্রায় ১৭ বছর সময় লাগে। ইতালি পঞ্চম জনবসতি পূর্ণ দেশ ইউরোপের মধ্যে যার জনসংখ্যা ৬১ লাখ এর বেশি। এখনকার ৫১ শতাংশ লোক একটা ছুটি ও মেনে নিতে পারে না ।এরা কাজ ক খুব ভালো বাসে। ইতালি তে অর্ধেরকের ও বেশি বিবাহিত জীবন এর ডিভোর্স ক্ষেত্রে WhatsApp ei  প্রমান পত্র হিসাবে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। ইতালি তে সারা বছর ৫০ মিলিওন এর ও বেশী লোক এখানে ঘুরতে আসে। ইতালি ৬০ শতাংশ উপার্জন এই ট্যুরিস্ট থেকেই আসে। এখানে সকার সর্বপ্রীয় খেলা ,এতে ইতালি চারবার বিশ্বকাপ ও জিতেছে।

ইতালির পভিগ্লিয়া দ্বীপ একটি ভয়নকর জায়গা এবং এই জায়গাটি পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম একটি ভয়ংকর জায়গা। এই দেশটি প্রচুর পরিমাণে মদ বানায় এবং প্রচুর পরিমাণে মদ দেশের বাইরে সাপ্লাই করে। এখানে একটি গুহা কে কেটে রেস্টুরেন্ট বানানো হয়েছে যা দেখার মত। বলঙ্গাই ইউনিভার্সিটি ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে পুরনো ইউনিভার্সিটি যেটির স্থাপনা হয়েছিল ১০৮০ সাল এ।

ধন্যবাদ
অবশ্যই কমেন্ট এ জানাবেন কেমন লাগলো।

Comments

Popular posts from this blog

অবিশ্বাস্য আবিষ্কার দুই বাঙালি বিজ্ঞানীর।

করোনা শহীদ করবে ফেলুদা মিথ্যে নয় সত্যি সত্যি ফেলুদা সাহায্য নিয়ে কেউ করনা কিনা তা খুঁজে বার করা সম্ভব দাবি দুই বাঙালি বিজ্ঞানী দেবজ্যোতি চক্রবর্তী এবং পূর্ব মেদিনীপুরের সৌভিক মাইতির তবে ফেলু দা প্রদোষ মিত্র নয় এ হলো প্রযুক্তি এই দেশীয় প্রযুক্তিতে Fncas9 editor linked uniform detection assay সংক্ষেপে ফেলুদা এর সাহায্যে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ফল মিলবে বলে দাবি দিল্লির institute of genemix এবং integrative  biology বিজ্ঞানী সৌভিক ও দেবজ্যোতি একটা সহজ সরল একটা মেথর্ড বের করা হয়েছে যা ম্যাক্সিমাম দু ঘন্টা সময়ের মধ্যে এটা খুবই সাধারণ একটা test এটা খুবই কম দামি ও একটা মেশিন দিয়ে process করা হয়। খুব সহজে করা যায় আর এটার জন্য কোনো বেশি লোক ও লাগবে না যে কোনো ছোটখাটো pathological lab test করে আপনাদেরকে রেজাল্টটা জানতে পারবে ।কিভাবে কাজ করবে এই প্রযুক্তি দুই বাঙালি বিজ্ঞানী দাবি কবিড নাইনটিন ভাইরাসের আরএনএ কে প্রথমে ডি ন এ তে  বদলানো হবে এরপরে পলিমের চেইন reaction বা পিসি আর এর মাধ্যমে একটি DNA থেকে একাধিক copy DNA এর তৈরি করা হবে তার সঙ্গে chrisfire cash nine বলে ব্য...

পিজ্জা সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য ও মজাদার কথা।।

হে বন্ধুরা পিজ্জা খাবারটি অনেকে খেয়েছেন, অনেকেই শুনেছেন ও, তো বন্ধুরা এই পিৎজা কথাটি এবং পিৎজা খাবার টি কোথা থেকে এলো। এই নিয়ে আজকে আমরা একটু বিস্তারিত আলোচনা করব। আসলে পিজ্জা শব্দটি এসেছে ইতালির নেপলস  নামক একটি জায়গা থেকে। গ্রিক শব্দ পক্তস থেকে পিজ্জা শব্দটি এসেছে ,।  যার অর্থ শক্ত বা জমাট বাঁধা। প্রাচীন গ্রীকরা তাদের রুটির উপর, তেল, সবজি ও পনির দিয়ে ঢেকে রেখে দিত। এবং এটিকে খাবার হিসেবে খেত। কিছুদিন পর একটা নতুন উদ্ভাবন ঘটে,  যেটি এই খাবারের উপর টমেটো দিয়ে খেতে শুরু করে এবং এই খাবারটি আশেপাশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এবং শুরু হয় নতুন এবং সুস্বাদু একটি খাবার।   যাকে আমরা আজ সবাই পিজ্জা বলে জানি। পিৎজা কে আবিষ্কার করেছিলেন তা নিশ্চিত করে বলা শক্ত, তবে এটি বিশ্বাস করা হয় যে আধুনিক পিজ্জা , প্রথমে নেপলসের বেকার রাফায়েল এস্পোসিতো তৈরি হয়েছিল। 1830 সালে নেপলসে প্রথম পিজেরিয়া , অ্যান্টিকা পিজ্জারিয়া পোর্ট' আলবা খোলা হয়েছিল। উত্তর আমেরিকায়, প্রথম পাইজারিয়া, 1905 সালে জেনারো লোম্বার্ডি নিউ ইয়র্ক সিটির। 53 নম্বর, 1/3 স্প্রিং স্ট্রিটে, খোলা হয়েছিল। ...