Skip to main content

জাপান সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য।।some unknown facts about japan

জাপান এমন একটি দেশ আমাদের সবাইকে অনুপ্রাণিত তো করেই আবার আশ্চর্য করে তোলে তো আসুন আমরা আজকে জাপান সম্পর্কে কিছু মজাদার ও অজানা কথা জানি।। জাপান দেশটি 6800 বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।।
জাপান দেশটি টেকনোলজির দিক দিয়ে এখন প্রথম স্থানে রয়েছে। এখানে 6000 টিরও বেশি কোম্পানি 200 বছরের পুরনো। এখানকার ট্রেন গুলি খুব দ্রুত গতিতে চলাচল করে । এখানকার ট্রেন গুলির গড় লেট রেট 6 সেকেন্ডের বেশি হয় না।
এখানে যদি কোন ট্রেন এক ঘন্টা দেরীতে আসে তাহলে সেটি খবর পরেরদিন নিউজ পেপারের হেডিং হিসেবে দেওয়া হয়। । বিভিন্ন প্রাইভেট কোম্পানী গুলির মাধ্যমে জাপানের ট্রেন গুলিকে চালানো হয়। জাপান ছোট-বড়  অনেকগুলি দ্বীপ নিয়ে গঠিত তাই এই জাপানের চারিদিকে সমুদ্রে খেরা।। তাই সারা বছর । জাপানে ঝড়ঝঞ্জা বন্যা ও ভূমিকম্প দেখা যায় এখানে।
। জাপান টেকনোলজিতে নিজেকে এতটা উন্নত করে নিয়েছে যদি এখানে কোন কিছু হয় বন্যা ভূমিকম্প হয় তাহলে তা 24 ঘণ্টার মধ্যে পুরনো যে বস্তুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেটাকে আবার সাজিয়ে নিতে পারে।। জাপানের অ্যানিমেশন ইন্ডাস্ট্রি খুব নামকরা এখানে বলিউডকে তো হার মানায় এমনকি হলিউডের কে ও হার মানায় জাপানের অ্যানিমেশন ইন্ডাস্ট্রি সারা দুনিয়া খুবই বিখ্যাত এই অ্যানিমেশনের মাধ্যমে জাপান প্রচুর পরিমাণে অর্থ উপার্জন করে। । ডোরেমন, সিনচেন এমনকি ছোট ছোট কাটুনের কমিক্স বই বাইরে বিক্রি করে প্রচুর পরিমাণে অর্থ উপার্জন করে।। জাপান আমাদের দেশের মতো খাবার তৈরি করে খায় না কারণ তারা সময় নিয়ে খুব পাংচুয়াল এবং সময় বাঁচিয়ে চলে তাই তারা বাইরে থেকে তৈরি করা খাবার কিনে এনে তাকে গরম করে খেয়ে নেয় তারা খাবার-দাবার বানানোর কোন চিন্তা করে না। জাপানিরা ঘোড়ার মাংস খেতে খুব পছন্দ করে কেন জানিনা যেমন এক একটি দেশের এক একটি মাংসের খুব পছন্দ চলে যেমন চীন দেশের লোকেরা কুকুরের মাংস খুব পছন্দ করে এমনই এখানে অনেক লোক ঘোড়ার মাংস খেতে খুব পছন্দ করে। যেমন ঘোড়ার মাংস ওরা পছন্দ করে তেমনি সমুদ্রের মাছ ওরা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে খায়। । জাপানের লোকেরা খুব মোটা হয় না এটি আপনি দেখেছেন বা শুনেছেন কিন্তু কারণটা কি ওরা শাকসবজি খেতে খুব পছন্দ করে এবং তেলে ভাজা ধরনের কোন খাবার ওরা খায় না বললেই চলে।। জাপানের বাচ্চাদের হোস্টেলের খাবার নিজেকেই নিতে হয় যে যতটা পরিমাণ খায় সেই পরিমাণে নিতে হয় যদি কোন বাচ্চা বেশি খাবার নিয়ে ফেলে দেয় তাকে ওকে পেনাল্টি দেওয়া হয়। এই খাবার ফেলে দেওয়া টা কে খুব খারাপ অভ্যাস বলে মনে করে ওরা।। আমাদের দেশের বাচ্চারা যখন স্কুলে যায় পুরা খুবই কম পরিষ্কার করতে দেখা যায়। কিন্তু জাপানের স্কুলের বাচ্চারা পুরো স্কুল টাকায় ওরা নিজেরাই পরিষ্কার করে যদি কোন বাচ্চা নোংরা করে তখন সেটা ও নিজেই পরিষ্কার করে। এখানে বেশিরভাগ লোক সকালবেলা স্নান করেন না।। একটি সার্ভেতে জানা গিয়েছে 95% লোক অফিস থেকে ফিরে স্নান করে ও সকাল বেলা নতুন করে আবার অফিসে চলে যায় তারা আবার ফিরে এসে স্নান করে।। জাপানে অনেক জায়গায় ক্যাট ক্যাফে রয়েছে যদি জাপানের কাউকে ভালো না লাগে তখন সে ওই কাট ক্যাফেতে গিয়ে বিড়ালের সঙ্গে খেলা করতে পারে এখানে বসে ওদের মজা দেখতে পারে  মনটাকে রিলাক্স করার জন্য।। জাপানের ক্যাপসুল হোটেল খুবই বিখ্যাত এখানে একটি ছোট্ট ছোট্ট ক্যাপসুলের মত রুম সিস্টেম করে জাপানি হোটেলগুলি খুব ভালো টাকা উপার্জন করে এই ছোট রুমের মধ্যে আপনি শুধু ঘুমোতে পারবে।

Comments

Popular posts from this blog

অবিশ্বাস্য আবিষ্কার দুই বাঙালি বিজ্ঞানীর।

করোনা শহীদ করবে ফেলুদা মিথ্যে নয় সত্যি সত্যি ফেলুদা সাহায্য নিয়ে কেউ করনা কিনা তা খুঁজে বার করা সম্ভব দাবি দুই বাঙালি বিজ্ঞানী দেবজ্যোতি চক্রবর্তী এবং পূর্ব মেদিনীপুরের সৌভিক মাইতির তবে ফেলু দা প্রদোষ মিত্র নয় এ হলো প্রযুক্তি এই দেশীয় প্রযুক্তিতে Fncas9 editor linked uniform detection assay সংক্ষেপে ফেলুদা এর সাহায্যে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ফল মিলবে বলে দাবি দিল্লির institute of genemix এবং integrative  biology বিজ্ঞানী সৌভিক ও দেবজ্যোতি একটা সহজ সরল একটা মেথর্ড বের করা হয়েছে যা ম্যাক্সিমাম দু ঘন্টা সময়ের মধ্যে এটা খুবই সাধারণ একটা test এটা খুবই কম দামি ও একটা মেশিন দিয়ে process করা হয়। খুব সহজে করা যায় আর এটার জন্য কোনো বেশি লোক ও লাগবে না যে কোনো ছোটখাটো pathological lab test করে আপনাদেরকে রেজাল্টটা জানতে পারবে ।কিভাবে কাজ করবে এই প্রযুক্তি দুই বাঙালি বিজ্ঞানী দাবি কবিড নাইনটিন ভাইরাসের আরএনএ কে প্রথমে ডি ন এ তে  বদলানো হবে এরপরে পলিমের চেইন reaction বা পিসি আর এর মাধ্যমে একটি DNA থেকে একাধিক copy DNA এর তৈরি করা হবে তার সঙ্গে chrisfire cash nine বলে ব্য...

পিজ্জা সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য ও মজাদার কথা।।

হে বন্ধুরা পিজ্জা খাবারটি অনেকে খেয়েছেন, অনেকেই শুনেছেন ও, তো বন্ধুরা এই পিৎজা কথাটি এবং পিৎজা খাবার টি কোথা থেকে এলো। এই নিয়ে আজকে আমরা একটু বিস্তারিত আলোচনা করব। আসলে পিজ্জা শব্দটি এসেছে ইতালির নেপলস  নামক একটি জায়গা থেকে। গ্রিক শব্দ পক্তস থেকে পিজ্জা শব্দটি এসেছে ,।  যার অর্থ শক্ত বা জমাট বাঁধা। প্রাচীন গ্রীকরা তাদের রুটির উপর, তেল, সবজি ও পনির দিয়ে ঢেকে রেখে দিত। এবং এটিকে খাবার হিসেবে খেত। কিছুদিন পর একটা নতুন উদ্ভাবন ঘটে,  যেটি এই খাবারের উপর টমেটো দিয়ে খেতে শুরু করে এবং এই খাবারটি আশেপাশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এবং শুরু হয় নতুন এবং সুস্বাদু একটি খাবার।   যাকে আমরা আজ সবাই পিজ্জা বলে জানি। পিৎজা কে আবিষ্কার করেছিলেন তা নিশ্চিত করে বলা শক্ত, তবে এটি বিশ্বাস করা হয় যে আধুনিক পিজ্জা , প্রথমে নেপলসের বেকার রাফায়েল এস্পোসিতো তৈরি হয়েছিল। 1830 সালে নেপলসে প্রথম পিজেরিয়া , অ্যান্টিকা পিজ্জারিয়া পোর্ট' আলবা খোলা হয়েছিল। উত্তর আমেরিকায়, প্রথম পাইজারিয়া, 1905 সালে জেনারো লোম্বার্ডি নিউ ইয়র্ক সিটির। 53 নম্বর, 1/3 স্প্রিং স্ট্রিটে, খোলা হয়েছিল। ...